Academy

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর:

i) অ্যামিবা 

ii) এন্টামিবা

Created: 8 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

সমাঙ্গবর্গের প্রধানত ক্লোরোফিলযুক্ত এককোষী বা বহুকোষী স্বভোজী উদ্ভিদরাই শৈবাল।

8 months ago

নিম্নশ্রেণির জীব

ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল, অ্যামিবা ইত্যাদিকে নিম্নশ্রেণির জীব বলা হয়। এদের মধ্যে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যামিবা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া দেখা যায় না। এরা অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত। কিছু কিছু ছত্রাক ও শৈবাল খালি চোখে দেখা গেলেও অধিকাংশ ছত্রাক ও শৈবাল দেখতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য লাগে। এসব অণুজীব বা আদিজীব মানুষ, গৃহপালিত পশুপাখি ও উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টি করে। আবার পরিবেশে এদের অনেক উপকারী ভূমিকাও রয়েছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • অণুজীবের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • অণুজীবের শ্রেণিবিন্যাস করতে পারব।
  • ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যামিবার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  • শৈবাল ও ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য, উপকারিতা ও অপকারিতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কীভাবে ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ছত্রাকজনিত রোগ সংক্রমণের বিষয়ে নিজে সচেতন হব ও অন্যদের সচেতন করব।
  • মানবদেহে স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও এন্টামিবার ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • মানবদেহে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও এন্টামিবার কারণে সৃষ্ট মানবদেহে স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ এবং প্রতিকার ব্যাখ্যা করতে পারব। এসব স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিকারে নিজে সচেতন হব এবং অন্যদেরও সচেতন করব।
Content added By

Related Question

View More

1 শৈবাল কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 8 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

শৈবাল হলো সমাঙ্গবর্গের ক্লোরোফিলযুক্ত ও স্বভোজী উদ্ভিদ।

2 ছত্রাককে মৃতজীবী বলা হয় কেন? (অনুধাবন)

Created: 8 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

ছত্রাক ক্লোরোফিলের অভাবে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করতে পারে না। খাদ্যের জন্য এদের মৃত জীবদেহের উপর নির্ভর করতে হয়। ছত্রাক জৈব পদার্থপূর্ণ মৃত জীবদেহ, বাসি, পচা খাদ্যদ্রব্য, ফলমূল, শাকসবজি, গোবর ইত্যাদিতে জন্মায় এবং সেখান থেকে খাদ্য গ্রহণ করে। যেহেতু ছত্রাক মৃত জীবদেহ থেকেই খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে তাই ছত্রাককে মৃতজীবী বলা হয়।

উদ্দীপকের A চিহ্নিত চিত্রটি এন্টামিবা নামক এককোষী জীবের। এ ধরনের এককোষী জীবের আক্রমণে এমিবিক আমাশয় হয়ে থাকে। এন্টামিবা দ্বারা সৃষ্ট রোগ অর্থাৎ এমিবিক আমাশয় প্রতিরোধ করতে নিচের পদক্ষেপগুলো নিতে হবে-

১. মলত্যাগের পর এবং খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে।
২. হাতের নখ নিয়মিত কেটে ফেলতে হবে।
৩. নিরাপদ পানি পান করতে হবে।
৪. নলকূপের পানি নিরাপদ তাই সরাসরি পান করা, গোসল করা ও বাসন ধোয়ার কাজে এ পানি ব্যবহার করতে হবে।
৫. স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করতে হবে।

উদ্দীপকে B চিহ্নিত ক্ষতিকারক জীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। এ ব্যাকটেরিয়ার কারণে রক্ত আমাশয়, ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হয়। ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকারক হলেও পরিবেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

১. ব্যাকটেরিয়া মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পচাতে সাহায্য করে। এতে আবর্জনা দ্রুত নিষ্কাশিত হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে।
২. একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে। ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।
৩. ব্যাকটেরিয়া জৈব বর্জ্য পদার্থকে দ্রুত রূপান্তরিত করে পয়ঃপ্রণালিকে সুষ্ঠু ও চালু রাখে। ফলে বায়ুমণ্ডল দূষিত হয় না।

ব্যাকটেরিয়া যদি উপরোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন না করতো তবে মাটি, পানি এবং বায়ু দূষিত হয়ে পড়ত। আর মাটি, পানি এবং বায়ু দূষিত হয়ে পড়লে পরিবেশও দূষিত হয়ে পড়বে। ফলে পরিবেশ ভারসাম্যহীন হয়ে পড়বে।

তাই বলা যায়, ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকারক জীব হলেও পরিবেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

5 ভাইরাস কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 8 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

ভাইরাস একটি অতি আণুবীক্ষণিক সরলতম জীব, যা কেবল জীবিত জীবদেহে জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে।

ভাইরাসের দেহ শুধুমাত্র প্রোটিন আবরণ ও নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। ভাইরাসের দেহে কোষপ্রাচীর, প্লাজমালেমা, সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি কিছুই নেই। তাই ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...